গদ্য জ্ঞান

নীল নদ আর পিরামিডের দেশ গল্পের জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১। সবচেয়ে বড় পিরামিড বানাতে কত বছর লেগেছিল? 

উত্তর : সবচেয়ে বড় পিরামিড বানাতে বিশ বছর সময় লেগেছিল।

প্রশ্ন ২। সূর্যের লাল আর নীল মিলে কোন রং ধারণ করেছে?

উত্তর : সূর্যের লাল আর নীল মিলে বেগুনি রং ধারণ করেছে।

প্রশ্ন ৩। সৈয়দ মুজতবা আলী কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন ৪। মিশরের কয়টি পিরামিড ভুবন বিখ্যাত?

উত্তর : মিশরের তিনটি পিরামিড ভুবন বিখ্যাত।

প্রশ্ন ৫। সবচেয়ে বড় পিরামিড বানাতে কত দিন সময় লেগেছিল?

উত্তর : বিশ বছর।

প্রশ্ন ৬। ‘মমি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর : কৃত্রিমভাবে সংরক্ষিত মৃতদেহ।

প্রশ্ন ৭। সৈয়দ মুজতবা আলী কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : আসামের করিমগঞ্জে।

প্রশ্ন ৮। সৈয়দ মুজতবা আলী স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন কোন প্রতিষ্ঠান থেকে?

উত্তর : শান্তিনিকেতন থেকে।

প্রশ্ন ৯। সৈয়দ মুজতবা আলী কোন কবির মেহসান্নিধ্যে ছিলেন?

উত্তর : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।

প্রশ্ন ১০। বেদুইনদের কাছে তার পুত্রের চেয়ে প্রিয় কী?

উত্তর : তার উট।

প্রশ্ন ১১। মিশরীয় রান্না কোন রান্নার মামাতাে বােন?

উত্তর : ভারতীয় রান্নার।

প্রশ্ন ১২। রান্নাঘর থেকে কে ছুটে এসে লেখকদের সালাম জানাল?

উত্তর : স্বয়ং বাবুর্চি।

প্রশ্ন ১৩। সুদানবাসীর গায়ের রং কেমন?

উত্তর : ব্রোঞ্জের মতাে।

প্রশ্ন ১৪। মিশরীয় নিগ্রোদের চুলকে লেখক কার মতাে বলেছেন?

উত্তর : ভেড়ার লােমের মতাে।

প্রশ্ন ১৫। মিশরের বিখ্যাত নদের নাম কী?

উত্তর : নীল নদ।

প্রশ্ন ১৬। মিশরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কেমন?

উত্তর : দুই-এক ইরি বেশি নয়।

প্রশ্ন ১৭। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনাে কীর্তিস্তম্ভ কী?

উত্তর : পিরামিড।

প্রশ্ন ১৮। মমি’ বানিয়ে কোথায় রাখা হতাে?

উত্তর : শক্ত পিরামিডের ভেতর।

প্রশ্ন ১৯। বহু সমঝদার শুধু কী দেখতে মিশরে আসেন?

উত্তর : মিশরের মসজিদগুলাে।

প্রশ্ন ২০। নীল নদ আর পিরামিডের দেশ’ বলাটি লেখকের কোন গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত?

উত্তর : ‘জলে ডাঙ্গায় গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।

প্রশ্ন ২১। নীল নদ আর পিরামিডের দেশ’ রচনায় ‘জাত-বেজাত শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর : নানা জাতি অর্থে।

 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১। পিরামিড তৈরি করা হতাে লে? 

উত্তর : ফারাওদের বিশ্বাসের জায়গা থেকেই পিরামিড তৈরি করা হতাে।

পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনাে কীর্তিস্তম্ভ হলাে পিরামিড। সেই সময় ফারাওরা অনেক কিছু বিশ্বাস করতেন। তারা বিশ্বাস করতেন যে, মারা যাওয়ার পর যদি তাদের মৃতদেহ পচে যায় কিংবা আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তাহলে তারা পারলােকে অনন্ত জীবন পাবেন না। তাই মৃত্যুর পরে তারা মৃতদেহের মমি বানিয়ে পিরামিডের ভেতরে রাখতেন। যেন কেউ সেই দেহ স্পর্শও করতে না পারে। এই বিশ্বাস থেকেই মূলত পিরামিড তৈরি করা হতাে।

প্রশ্ন ২। ফারাওদের লাশ মমি করা হতাে কেন? 

উত্তর : লাশকে পচে যাওয়া বা আঘাত পাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে ফারাওদের লাশ মমি করা হতাে।

ফারাওরা বিশ্বাস করতেন মৃত্যুর পর তাদের শরীর পচে গেলে বা আঘাতপ্রাপ্ত হলে তারা পরলােকে অনন্ত জীবন পাবেন না। তাই মৃত্যুর পর দেহকে মমি’ বানিয়ে সেটাকে শক্ত পিরামিডের ভিতরে রাখা হতাে। মূলত ফারাওদের লাশ অক্ষত রাখতে মমি করা হতাে।

প্রশ্ন ৩। কোনটি সম্বন্ধে পাকা খবর সংগ্রহের চেষ্টা করা হয় এবং কেন?

উত্তর : পিরামিড সম্বন্ধে অজানা তথ্য জানার জন্য পাকা খবর সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়।

মিশরীয় সভ্যতার আকর্ষণ ও পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের একটি মিশরের পিরামিড। পিরামিড নির্মিত হয়েছিল ফারাওদের মৃতদেহ মমি করে রাখার জন্য। গিজে নামক স্থানে অবস্থিত পিরামিড তিনটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনাে কীর্তিস্তম্ভ। এগুলাে নিয়ে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এর দেয়ালে খােদাই করা রয়েছে লিপি। বিভিন্ন অজানা তথ্য জানার জন্য মানুষ পিরামিডের এই লিপিগুলাের মর্মার্থ উদ্ধার করার চেষ্টা করে।

প্রশ্ন ৪। ‘শহরতলিতেই কতাে না রেস্তোরাঁ, কতাে না ক্যাফে খােলা, খদ্দেরে খদ্দেরে গিসগিস করছে’—ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : কায়রাে শহরের বর্ণনা করতে গিয়ে লেখক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।

মিশরে ভ্রমণকালে লেখক কায়রাে শহরে এসে যখন উপনীত হন তখন রাত নেমে এসেছে। গাড়িতে চলতে চলতে খােলা জানালা দিয়ে সারি সারি আলাে চোখে পড়ে। গন্ডায়-গণ্ডায় রেস্তোরা, হােটেল, সিনেমা, ডান্স হল, ক্যাবারে চোখে পড়ে। এসব দেখে লেখক মন্তব্য করেন, ‘খদ্দেরে খদ্দেরে গিসগিস করছে।’

প্রশ্ন ৫। কায়রােতে বায়স্কোপ বেশিরভাগ খােলামেলা জায়গায় হয় কেন?

উত্তর : কায়রােতে হঠাৎ কখনাে বৃষ্টি হয়। তাই সেখানে বায়ােস্কাপ খােলামেলা আকাশের নিচে হয়।

মিশরের কায়রাের জলবায়ু শুষ্ক। বৃষ্টি হয় না বললেই চলে। যদি কখনাে হয় তবে তা দু-এক ইঞ্চির বেশি নয়। আর এই বৃষ্টি না হওয়ার কারণে সেখানকার বেশিরভাগ বায়ােস্কোপ খােলামেলা জায়গায়ই হয়।            

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button